#সিলেট বিভাগ

শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভায় বেতনের দাবীতে কর্মচারীদের কর্মবিরতি পালন !

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার কর্মচারীরা বকেয়া বেতন-ভাতার দাবীতে কর্মবিরতি পালন করেছে। দীর্ঘদিন থেকে বেতন ভাতা না পেয়ে এবং এ ব্যাপারে বার বার মেয়রের শরণাপন্ন হয়েও কোন সুরাহা হয়নি। তাই এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করেছে পৌর কর্মচারীরা। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।

জানাযায়, পৌর কর্মচারীরা একাধিকবার মেয়র ছালেক মিয়ার নিকট বকেয়া বেতনের জন্য গেলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক সুশীল বসাক জানান, পৌর সভার ১৫ /২০ জন কর্মচারীকে ৭ / ৮ মাস যাবত বেতন-ভাতাসহ কোন ধরণের সুযোগ সুবিধা দেয়া হচ্ছে না। কিন্তু মেয়রের পছন্দের কর্মচারীরা ঠিকই বেতনভাতাদি পাচ্ছেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন যাবত বেতন না পেয়ে কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছে। বিষয়টি নিয়ে পৌর সভার নির্বাহী প্রকৌশলী ও ভারপ্রাপ্ত সচিব সিরাজুল ইসলামের কাছে গেলে তিনিও কোন সুরাহা করতে পারেননি। তাই বাধ্য হয়েই আমাদেরকে আন্দোলনে নামতে হয়েছে। সুশীল বসাক আরো জানান, বিষয়টি নিয়ে তারা জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি দেবেন এবং তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ে মাঠে থাকবেন। এ কর্মবিরতিতে পৌর সভার কর আদায়কারী দেবাশীষ দেব, কর নির্ধারক সুজিত কুমার দত্ত, কার্য সহকারী আজিজুল হক, কার্য সহাকারী রিপন মিয়া, কামাল উদ্দিন, ড্রাইভার সেবুল মিয়া, ইউনুছ মিয়া ও জাহির মিয়াসহ ১৫ / ২০ জন কর্মচারী অংশ নেন।
এ ব্যাপারে মেয়র মোঃ ছালেক মিয়া বলেন, সাবেক মেয়রের নিয়োগকৃত কর্মচারিরা পৌরসভার ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ভাংচুর চালিয়েছে। তারা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে অসদাচরণ করেছে। তাকে নানান হুমকি ধামকি দিচ্ছে এবং তারা পরিকল্পিতভাবে এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে। তাই পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের নিরাপত্তার স্বার্থে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় ৭ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করেছি।
এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ আল মামুনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মোঃ ছালেক মিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি প্রাথমিকভাবে তদন্ত করা হয়েছে। আবারও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে। পরে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *