“শ্যামল বাংলার কবি” – শাহ আব্দুস সালাম।
একি আনলে ধরাধামে ওগো কবি, ক্ষুব্ধ আত্ন-অভিমানী
বারবার বহুবার,পড়েছি কতবার
অমৃত রসে ভরা কাব্য যে তোমার
কালের কালজয়ী জীবন্ত সাহিত্যে
সাধনার ব্যঞ্জণাময় অপৃর্ব লালিত্যে
আজ অলখে-লখে বহে অবিরাম কবিতার অমীয় বাণী।
তুমি প্রশংসা গুণে আছো প্রশংসিত
কুসুম বাগের গোলাপ সম প্রস্ফুটিত
কাব্য সুধায় মগ্ন; চমন বাগে আনমনে
অলৌকিক সব সুর ছন্দের তীব্র ঘ্রাণে
অতৃপ্ত সুরের অতৃপ্ত নেশায়;দিবানিশি তোমার হাতছানি।
ওগো কবি, স্রষ্টার গোপন শিষ্য অতি
কে বুঝে সাধনা তোমার,ওহে মহামতি
জানেনা কেউ কোন সে অভিমানে
প্রেমাগ্নি দাউ দাউ জ্বলে সুপ্ত প্রাণে
জ্বলে জ্বলে ভস্ম অভিসারে দুর গগনে হে খেচর উদাসী।
আজ ভেঙ্গে ফেলো হৃদ-অভিমান
গেয়ে যাও তোমার না গাওয়া গান
যে গান দিয়ে সদা সব মানব হৃদয়
অবলিলায় পারো করতে বিজয়
সে গান গেয়ে শুনাও আজ শ্যামল বাংলার অভিলাষী।
তুমি আজন্ম শুধু গানের পাখি
ভাঙ্গাও ভোরে ঘুম ডাকি ডাকি
তোমার ঐ সুরের মহা কলরবে
আধ মরাদের ঘুম ভাঙ্গাতে হবে
অচেতনের ঘুম ভাঙ্গাতে করো আঘাত তুমি ঘুম-বিনাশী।
সুর বিদ্বেষীরা যদি তোমার স্বরে
রুদ্ধ করতে চায় কেউ কন্ঠে ধরে
তবে দ্রোহ আনো ওগো অরিন্দম
সুরের বীণায় কঠিন বজ্রাঘাত সম
তবুও তুমি হয়োনা কভু নিরুদ্দেশ দেশের অভিযাত্রী।
সময় থাকতে আজ ধরো সুর
মানবতা আজ বেদনায় বিধুর
ঘন রোলে বাজাও মোহন বাঁশী
আলোর বন্যায় আজ যাক ভাসি
দিগন্তে দিগন্তে উঠুক সূর্য নিপাত যাক সব কালো রাত্রী।





