একটি ক্যাথল্যাবের আত্মকথা — আবু তালেব মুরাদ।
ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের মতো একটা প্রতিষ্ঠানে একটি ক্যাথল্যাবের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অপরিসীম। আজকের এই ক্যাথল্যাব পাওয়া এতো সহজ ছিলোনা। এর পিছনে একটা ইতিহাস আছে। উপরের এই ছবি এই ইতিহাসের একটি নীরব ঐতিহাসিক সাক্ষী হিসেবে সব সময়ই সাক্ষ্য দিয়ে যাবে।
২০১৪ এর ফেব্রুয়ারি মাস দিনটি ছিলো সোমবার, তৎকালীন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী প্রয়াত সৈয়দ মহসিন আলীর জিন্দাবাজারস্থ তাঁর শশুর বাড়ীতে আমি,ন্যাশন্যাল হার্ট ফাউন্ডেশন সিলেটের সভাপতি প্রয়াত প্রফেসর ডা.এম এ রকিব এবং ট্রেজারার প্রয়াত আলহাজ্ব আব্দুল হান্নান চৌধুরী,সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে একটি ক্যাথল্যাব এর জন্য মন্ত্রীর সমীপে অর্থ বরাদ্দের অনুরোধ জানাই।ক্যাথল্যাব হলো যেখানে হৃদরোগীদের এনজিওগ্রাম,এনজিওপ্লাসটি এমনকি পেইসমেকার স্থাপন করা হয়ে থাকে।মন্ত্রী আমাদের বক্তব্য শুনে বললেন আজ সোমবার, বুধবারে আমি ঢাকা যাবো মৌলভীবাজার থেকে সিলেট এয়ারপোর্ট হয়ে ঢাকা যাওয়ার পথে আমি আপনাদের হাসপাতাল দেখে যাবো,যেমন কথা তেমন কাজ মন্ত্রী আসলেন দেখলেন।কিছুদিনের মধ্যেই ক্যাথল্যাবের জন্য বরাদ্দ হলো ৮ কোটি ৬৫ লাখ টাকা।
আজ এই ক্যাথল্যাবের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে সিলেটের হৃদরোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে।কিন্তু ছবি সাক্ষী এই মানুষগুলো সিলেট ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের হৃদরোগীদের জন্য অনেক বড় একটি অবদান রেখে গেছেন। আজ এই ছবির মধ্যে আমি ছাড়া ৩ জনই ইহকাল ছেড়ে পরকালে পাড়ি দিয়েছেন। প্রতিটি ভাল কাজের জন্য পরম রাব্বুল আল আমিন তাঁদের জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন। আমিন।
আবু তালেব মুরাদ, প্রচার সম্পাদক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, সিলেট।





