খানবাহাদুর সৈয়দ আব্দুল মজিদ (কাপ্তান মিয়া) CIE – সৈয়দ ইরমানুল হক।
সত্যি ইতিহাস একটি জাতির আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন হিসাবে কাজ করে। ঐতিহ্য-ইতিহাসকে হেয়কারী জাতি কখনোই বিশ্বময় মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকার নজির নেই। এমন রাষ্ট্রকে তলাবিহীন ঝুঁড়ির আদলে দেখা হয়। ইতিহাস ঐতিহ্যের সুচিন্তা-চেতনা জাতীয় জীবনে চালিকা শক্তির মূল ভূমিকা পালন করে। আত্মপরিচয়হীন জাতিকে ঝরে পড়ে যাওয়া বসন্ত কালের নিস্তেজ সতেজবিহীন প্রাণহীন মরা গাছের সাথে তুলনা করা যায়। শিরা উপশিরার প্রাণস্পন্দন বন্ধ হয়ে গেলে মানুষ যেমন মরে যায় ঠিক তেমনি করে জাতীয় জীবনে ইতিহাস-ঐতিহ্য চিন্তার অনুপস্থিতি ঘটলে একটি জাতি তিলে তিলে নিঃশ্বেস হয়ে বিলীন হয়ে যায়। মনে রাখতে হবে ইতিহাস সিনেমা-নাটকের রোমান্টিক কথোপকথন নয়, কেচ্ছা কিংবদন্তি কিংবা কাব্য নয়। মনের মাধুরী মিশিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলে সেটাকে ইতিহাস হিসাবে চালিয়ে দেওয়াটা অসুস্থ চিন্তার আরেক বহিঃপ্রকাশ।
মাফ চাই অভিমানী আবেগপ্রবণ মনে লেখনীর শুরুতে নাতিদীর্ঘ ভূমিকার কারনে।
শুধু মাএ দলীয় লেজুড় বৃত্তের চামচামী না করে সিলেট বিভাগের যে কজন অবিস্মরণীয় অতুলনীয় মানবতাবাদী মানব সেবক তাদের মেধা, পরিশ্রম, বুদ্ধিমত্তা মানব কল্যাণে নিঃস্বার্থ ভাবে বিলিয়ে দিয়ে দেশ তথা সমগ্র সিলেটবাসীর জন্য আজ স্মৃতির মণিকোঠায় আছেন তাদের অন্যতম হলেন খান বাহাদুর মরহুম “সৈয়দ আব্দুল মজিদ” সি,আই,ই (কাপ্তান মিয়া) সাহেব।
হজরত শাহজালাল মোজাররদ ইয়ামনী (রঃ) এর অন্যতম সাথী যোদ্ধা হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর পরবর্তী বংশ বুনিয়াদের আওলাদ হলেন এই ক্ষনজন্মা সুপুরুষ। তিনি ১৮৭২ ইং এ সিলেট শহরের কাজী ইলিয়াসে জন্ম গ্রহণ করেন। উনার আদি নিবাস ছিল শের সওয়ার চাবুক মার সৈয়দ শাহ মোস্তফার শহর মৌলভীবাজারে। উনার বাবা মরহুম সৈয়দ আব্দুল জলিল সাহেব ছিলেন মরহুম সৈয়দ মুহিব উল্লাহ সাহেবের সন্তান। সৈয়দ মুহিব উল্লাহ সাহেব বৈবাহিক সুত্রে সিলেটে শহরের কাজী ইলিয়াস মহল্লায় Settle করেছিলেন। খান বাহাদুর সাহেবের মাতা মরহুমা সৈয়দা হাসিবুননেছার নানা ছিলেন মৌলভীবাজার জেলার Founder বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং জমিদার আসামের ১ম মুসলমান মুনসেফ সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর ই আরেক বংশধর আমার আপন দাদীর পূর্ব পুরুষ মৌলভী সৈয়দ কুদরত উল্লাহ সাহেব।
উল্লেখ করা দরকার আমি যখন বুঝতে শিখেছি তখন থেকেই দেখে আসছি মৌলভী সৈয়দ কুদরত উল্লাহ সাহেবের, খান বাহাদুর মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেবের এবং আমি আল্লাহ রাববুল আলামিনের এক তুচ্ছ নিকৃষ্টতম গোলাম বান্দার বংশ বুনিয়াদের কেন্দ্র বিন্দু ৩৬০ আউলিয়ার অন্যতম সহযোগী যোদ্ধা হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা বোগদাদী (রঃ) এর মাজার শরীফ যেটি মৌলভীবাজার শহরে অবস্থিত তারই মোতাওয়াললীর দায়িত্ব অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে আসছেন মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেবের বংশ চেরাগ আমার অতি শ্রদ্ধার মানুষ
জনাব সৈয়দ খলিল উল্লাহ ছালিক জুনেদ চাচা।
সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর বংশ বুনিয়াদ আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চাচাতো ভাই ৪ বারের নির্বাচিত মৌলভীবাজার পৌরসভার চেয়ারম্যান এবং ২ বারের M.P. বাংলাদেশ সরকারের সমাজ কল্যান মন্ত্রী মরহুম সৈয়দ মহসিন আলী সাহেবের Wife আমাদের অতি Respected ভাবী/বোন সাবেক সংসদ সদস্যা সৈয়দা সায়েরা মহসিন হলেন মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেবের সরাসরি বংশধর। মোতাওয়াললী জুনেদ চাচা এবং ভাবী/বোন সৈয়দা সায়েরা মহসিনের আচার-আচরণের মাঝেই মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেবকে খুঁজে পাওয়া যায়।
“শের সওয়ার চাবুক মার” এই কথাটার কাহিনী হলো আল্লাহর ওলী হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) অত্যাচারী মানুষ খেকো হিংস্র বাঘকে বশে আনতে বাঘের উপর সওয়ার হয়ে সাপকে চাবুক বানিয়ে বাঘকে পিটিয়ে ছিলেন।
সিলেট শহরের নবাব তালার বঙ্গ বিদ্যালয় (বর্তমান এইডেড হাই স্কুল থেকে) ১৮৮৭ সালে সাফল্যের সঙ্গে Entrance পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে পরবর্তীতে উচ্চ শিক্ষার নিমিত্তে কলকাতায় গমন করেন। কলকাতার Presidency College as well as St. Xavier’s college ১৮৯২ সালে BA (Honors) এবং তারপর ১৮৯৪ সালে BL(Honors) Degree অতি সাফল্যের সঙ্গে Achieve করেন। উনি তার আগাগোড়া শিক্ষা জীবনে ছিলেন কৃতিত্ববান। স্কুল জীবন থেকেই বাংলা, Urdu, English ভাষায় Fluently কথা বলতেন।
শিক্ষা জীবন সমাপ্তির পর পেশাগত জীবনের শুরুতে
সিলেট জেলা বারে যোগদান করেন কিন্তু আইন পেশা ভালো না লাগায় কয়েকটি কৃষি খামার তৈরি করে সফলতা অর্জন করেছিলেন। ১৯০৮ ইং এ ভারতের পুনা শহরে First কৃষি গবেষণাগার এবং কলেজ Establish হওয়ার সময় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তৎকালীন ভারতের সরকার উনাকে দাওয়াত দিয়ে ছিলেন।
চা শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেবের অবিস্মরণীয় অবদান ছিল। তিনি ছিলেন অল ইন্ডিয়া Tea & কোম্পানির ডাইরেক্টর ও তিনটি চা বাগানের এককভাবে মালিক। আসাম প্রদেশের মধ্যে তিনি First খাবারের তৈল তৈরির জন্য Industry Establish করে ছিলেন। তিনি শহরে মুসলমানদের সভা সমিতি করার জন্য দরগা গেইটে
“মুসলিম ইনস্টিটিউট” নামে একটি হল তৈরি করেন যা এখন “কেন্দ্রীয় মুসলিম সাহিত্য সংসদ সিলেট।”
মুসলিম লিগের জন্ম হয়েছিল ১৯০৬ সালে। এর আগে মুসলমানদের অ-রাজনৈতিক সংগঠন ছিল “আঞ্জুমান ইসলামিয়া”। মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেব First এর সেক্রেটারি ও পরে President হিসাবে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া তিনি অল ইন্ডিয়া মোহামেডান কনফারেন্স কমিটির Honorable মেম্বার ছিলেন।
মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেব দীর্ঘ সময় সিলেট লকাল Board এর মেম্বার, সিলেট মিউনিসিপ্যালিটির ভাইস চেয়ারম্যান এবং পরবর্তীতে তিন বছর চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯১৯ সালে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সিলেট আসেন এবং কবিকে সিলেট বাসীর পক্ষ থেকে বিশাল সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির সভাপতি ছিলেন মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেব। গলা ভরা চাপ দাড়ি। শিরে শাহানশাহ পাগড়ি। মরহুম খান বাহাদুর সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেব ১৯২১ সালে সিলেট সদর নির্বাচনী এলাকা থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসামের প্রাদেশিক আইন পরিষদের এম,এল,এ নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি হিন্দু-মুসলিম সকলের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন জনদরদী মানুষ হিসাবে পরিচিত ছিলেন। তিনি আসামের ১ম সিলেটি মুসলমান হিসাবে Minister এবং First Education Minister এর দায়িত্ব পালন করেন।
সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা, এম,সি কলেজ প্রতিষ্ঠায় উনার অনবদ্য অবিস্মরণীয় অবদান ছিল।
এম, সি, কলেজকে টিলাগড়ে নিয়ে যাওয়া এবং ইমারত নির্মাণের মূল কারিগর ছিলেন তিনি।
এক কথায় উনার জীবদ্দশায় সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নের রূপকার ছিলেন তিনি। সমাজ সেবার স্বীকৃতি স্বরূপ সম্মান প্রদর্শন পূর্বক সরকার বাহাদুর ১৯১৮ সালে উনাকে “খান বাহাদুর” উপাধিতে ভূষিত করেন এবং পরবর্তীতে সি, আই, ই C I E (Campanion of The Order of Indian Empire) এর সম্মানে অলংকৃত করেন।


(He received CIE recognition letter from King George the VI)
সিলেট মুরারিচাঁদ (M.C) কলেজের ইতিহাসের এক মহান নায়ক আসামের এবং সিলেটের ১ম Education Minister খান বাহাদুর মরহুম সৈয়দ আবদুল মাজিদ (কাপ্তান মিয়া) সাহেব আজ ইতিহাসের পাতা থেকে বিলুপ্ত। আমরা অনেকেই জানি, রাজা গিরিশচন্দ্র সিলেটের শিক্ষার জন্য নতুন যুগের সৃষ্টি করেছিলেন। তিনি সিলেট এইডেড স্কুল, রাজা জিসি হাইস্কুল, সংস্কৃত শিক্ষা টোল এবং ১৮৯২ সালে মুরারিচাঁদ কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। প্রথম ২০ বছর রাজা নিজে সব ব্যয়ভার গ্রহণ করেন।
১৮৯৭ সালের বিরাট ভূমিকম্পের ফলে রাজার বাড়িঘর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। তিনি ঋণ গ্রহণ করে তা পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে ধীরে ধীরে আর্থিক অনটনে পড়েন। ১৯০৮ সালে রাজা গিরিশচন্দ্রের মৃত্যুর পর কলেজটি আর্থিক বিপাকে পড়ে যায়। ফলে বাধ্য হয়ে সরকারি সাহায্য নিতে হয় এবং কলেজ একটি এইডেড প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। বাবু দুলালচন্দ্র দেব ও মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেবের উদ্যোগে কলেজটি নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পায়। ১৯১২ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ সরকারি কলেজে পরিণত হয়। ১৯১৬ সালে কলেজকে প্রথম গ্রেডের ডিগ্রি কলেজে উন্নীত করতে সিলেটে এক জোরদার আন্দোলন শুরু হয়। মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেব সেই আন্দোলনের ছিলেন পুরোধা। তিনি নিজের ও অন্য ৮ জন সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে ১৮ হাজার টাকার জামিনদার হন। ফলে কলেজটি প্রথম শ্রেণিতে রূপান্তরিত হয়। ১৯২১ সালে মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেব সিলেট সদর থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসাম আইন পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। হিন্দু-মুসলিম সব সম্প্রদায়ের কাছে ছিল তাঁর বিশাল জনপ্রিয়তা। নতুন ব্যবস্থাপনায় তিনি আসামের শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পান। সিলেটের শিক্ষা বিস্তারের জন্য উদ্যোগ নেন তিনি।

সেই সময় মুরারিচাঁদ কলেজ সিলেট শহরের ভেতর ছিল এবং প্রথম শ্রেণির ডিগ্রি কলেজের উপযুক্ত পরিবেশ ও দালানকোঠা সেখানে ছিল না। মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেব তখন সিলেটে বিশ্ববিদ্যালয় করার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আসাম ভ্যালির পূর্বে সুরমা ভ্যালিতে বিশ্ববিদ্যালয় করতে হলে উপযুক্ত জমির ও কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন। তাই তিনি শহর থেকেই তিন মাইল দূরে ১২০ একর জমি অধিগ্রহণ করে শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে বর্তমান মুরারিচাঁদ কলেজ প্রাঙ্গণের ভিত্তির সূচনা করেন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার জন্য আসামের তদানীন্তন গভর্নর স্যার উইলিয়াম মরিসকে আমন্ত্রণ জানান। ১৯২৫ সালে থ্যাকারের টিলায় (বর্তমানে টিলাগড়) নতুন কলেজের উদ্বোধন করেন স্যার বিডসন বেল। তখন মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেব আর ইহজগতে নেই। স্যার বিডসন বেল তাঁর উদ্বোধনী ভাষণে শ্রদ্ধাভরে কলেজ স্থাপনে মরহুম কাপ্তান মিয়ার বিরাট অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি কলেজের নতুন কোনো নাম বা নিজের নাম না দিয়ে এই নতুন প্রাঙ্গণে কলেজটিকে মুরারিচাঁদ কলেজের নামই রাখেন। রাজা গিরিশচন্দ্র যে বীজ বপন করেছিলেন, তাঁরই মতো আরেক শিক্ষানুরাগী মরহুম কাপ্তান মিয়া সাহেব সেটাকে মহিরুহতে পরিণত করেন। এই প্রসঙ্গে এমসি কলেজের অধ্যাপক এনসি শীল লিখেছেন : It was run of luck for M.C. College to have Khan Bahadur Abdul Majid C.I.E, as one of its generous patron, who led the public movement in Sylhet for securing its B.A. affiliation in 1916. অধ্যাপক এনসি শীল আরো উল্লেখ করেছেন: As the first Minister of Education in Assam, beuring his short term of office 2921-22, he gave the earnest attention of the affairs of the college, specially in regard to its building projects.
ক্রমশ বিস্মৃতির বিশাল মরুভূমিতে হারিয়ে যান সিলেটের কীর্তিমান পুরুষ আজকের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্ট্রা, সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসার অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা খানবাহাদুর মরহুম সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেব।
তার ইন্তেকালে আসামের ডিপিআইমি কানিংহাম দুঃখ প্রকাশ করে মন্তব্য করেন: –In the death of honourable Khan Bahadur, education in the province lost a leader and every member of the department a friend… বৃটিশ শাসনামলে আসাম প্রদেশে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। এ কারণে সিলেটে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি ওঠে।

আসামের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী খানবাহাদুর সৈয়দ আব্দুল মজিদ সাহেব সিলেট শহরের গোবিন্দ পার্কে (বর্তমান হাসান মার্কেট) প্রতিষ্ঠিত এমসি কলেজকে টিলাগড়ের মনোরম পরিবেশে স্থানান্তর করেন- এ উদ্দেশ্যে যে, ভবিষ্যতে এই কলেজকে কেন্দ্র করে সিলেটে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হতে পারে। ক্ষমতার নির্লোভ ও সিলেটের মানুষের অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য তাঁর এই অসামান্য উদাহরণে ভাস্বর হয়ে থাকবে।
দুঃখের বিষয় হলো মাএ ৫০ বছর বয়সে ১৯২২ সালের ২২ শে জুন এই মানব সেবক আল্লাহর বান্দা আমাদের ছেড়ে পরজগতে পদার্পণ করেন।
তিনি আরো বেঁচে থাকলে হয়তো সিলেটবাসী আরও অনেক কিছুই পেতেন।
আল্লাহ রাববুল আলামিনের দরবারে মরহুম খান বাহাদুর সৈয়দ আব্দুল মজিদ CIE সাহেবের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং উনার বংশ বুনিয়াদ সহ সমগ্র জাহানের কবর বাসীর জন্য আল্লাহর দরবারে মাফি কামনা করি।
বিঃ দ্রঃ দয়া করে ভাষাজনিত ভুল ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
Syed Irmanul Haque
Houston
Texas
U.S.A.





